ALARM SIGNAL (অ্যালার্ম সিগন্যাল): সহজ কথায়, এটি হলো সেই সংকেত যা মানুষকে জানায় যে, “আগুন লেগেছে, পালাও!” বিএনবিসি অনুযায়ী, অ্যালার্ম সিগন্যাল মূলত দুই ধরণের হতে পারে:

১. Audible (শ্রব্য): যা কানে শোনা যায়, এবং

২. Visual (দৃশ্যমান): যা চোখে দেখা যায়।

এই সংকেতগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো আগুন (Fire) এবং/অথবা ধোঁয়া (Smoke) পরিস্থিতির অস্তিত্ব নির্দেশ করা।

ধরণ (Type) কোডের উদাহরণ (Code Examples) বিশ্লেষণ (Engineering Insight)
Audible (শব্দ) Bells (ঘণ্টা), Horns (হর্ন), Chimes, Speakers (স্পিকার)। ইন্ডাস্ট্রিতে আমরা সাধারণত হুটার (Hooter) বা বেল ব্যবহার করি। তবে শপিং মলে প্যানিক কমানোর জন্য ‘Chimes’ বা সুমধুর টোন এবং ভয়েস ইভাকুয়েশন (Speaker) বেশি কার্যকর।
Visual (আলো) Strobe light (স্ট্রোব লাইট) যা উজ্জ্বল সাদা আলো নির্গত করে। এটি বিশেষভাবে দরকার নয়েজি এনভায়রনমেন্টে (যেখানে শব্দ শোনা যায় না) বা শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য।

A. Practical Tips (ফিল্ড টিপস)

  • Do’s (করণীয়): বেডরুম বা হোটেল রুমে সাউন্ডারের ভলিউম ৭৫ ডেসিবেলের (bedhead level) নিচে রাখা উচিত নয়। তবে ভিজ্যুয়াল অ্যালার্ম বা স্ট্রোব লাইট বাথরুমে বা করিডোরে ব্যবহার করা ভালো।
  • Troubleshooting: অনেক সময় স্ট্রোব লাইট জ্বলে কিন্তু শব্দ হয় না (Combined Unit-এ)। চেক করবেন পোলারাইটি (Polarity) ঠিক আছে কি না। ডিসি সার্কিটে পজিটিভ-নেগেটিভ উল্টো হলে অনেক সময় লাইট জ্বলে না।
  • Safety for All: ভবনে যদি শ্রবণ প্রতিবন্ধী (Deaf) ব্যক্তি থাকার সম্ভাবনা থাকে, তবে ভিজ্যুয়াল সিগন্যাল বা স্ট্রোব লাইট ব্যবহার করা ম্যান্ডেটরি।